মেহেন্দিগঞ্জ বার্তা  |  ই-পেপার  |  প্রিন্ট প্রকাশিত সময়: ২৮-০৭-২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ণ  |  প্রকাশের তারিখ: Jan ১৯, ২০২৫

মেহেরবানি করে চাঁদাবাজি করবেন না, রাজশাহীতে কর্মী সম্মেলনে জামায়াতের আমির

মেহেরবানি করে চাঁদাবাজি করবেন না, রাজশাহীতে কর্মী সম্মেলনে জামায়াতের আমির
মেহেরবানি করে চাঁদাবাজি করবেন না, রাজশাহীতে কর্মী সম্মেলনে জামায়াতের আমির
স্টাফ রিপোর্টার
চাঁদাবাজি, দখলদারি থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘মেহেরবানি করে এই কাজটা করবেন না। আমাদের শহীদদের আত্মা কষ্ট পাবে, মানবতা অপমানিত ও লাঞ্ছিত হবে।’আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহী নগরের হাজী মুহাম্মদ মহসীন সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে (ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দান) কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

শফিকুর রহমান বলেন, ‘রাজশাহী একটি শিক্ষানগরী। ৫ তারিখের পরে আশা করি রাজশাহীতে কোনো চাঁদাবাজি হয়নি। এখানকার মানুষ ভদ্র, বিনয়ী, সৎ, কেউ চাঁদাবাজি করে না। ঠিক না?’ তাঁর বক্তব্যের জবাবে কর্মীরা বলে ওঠেন, ‘করে করে, চাঁদাবাজি করে।’চাঁদাবাজি, দখলদারি থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘মেহেরবানি করে এই কাজটা করবেন না। আমাদের শহীদদের আত্মা কষ্ট পাবে, মানবতা অপমানিত ও লাঞ্ছিত হবে।’

আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহী নগরের হাজী মুহাম্মদ মহসীন সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে (ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দান) কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

শফিকুর রহমান বলেন, ‘রাজশাহী একটি শিক্ষানগরী। ৫ তারিখের পরে আশা করি রাজশাহীতে কোনো চাঁদাবাজি হয়নি। এখানকার মানুষ ভদ্র, বিনয়ী, সৎ, কেউ চাঁদাবাজি করে না। ঠিক না?’ তাঁর বক্তব্যের জবাবে কর্মীরা বলে ওঠেন, ‘করে করে, চাঁদাবাজি করে।’চাঁদাবাজি, দখলদারি থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘মেহেরবানি করে এই কাজটা করবেন না। আমাদের শহীদদের আত্মা কষ্ট পাবে, মানবতা অপমানিত ও লাঞ্ছিত হবে।’

আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহী নগরের হাজী মুহাম্মদ মহসীন সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে (ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দান) কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

শফিকুর রহমান বলেন, ‘রাজশাহী একটি শিক্ষানগরী। ৫ তারিখের পরে আশা করি রাজশাহীতে কোনো চাঁদাবাজি হয়নি। এখানকার মানুষ ভদ্র, বিনয়ী, সৎ, কেউ চাঁদাবাজি করে না। ঠিক না?’ তাঁর বক্তব্যের জবাবে কর্মীরা বলে ওঠেন, ‘করে করে, চাঁদাবাজি করে।’